Skip to main content

Bangla Dua o Jikir | প্রয়োজনীয় দোয়া সহীহ দুআ ও যিকর নবীজির দোয়া সমূহ দোআ: ও যিক্‌রের ফযীলত

অত্তান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় দোয়া  সহীহ দুআ ও যিকর নবীজির দোয়া সমূহ আল্লাহর নামের জিকির

প্রয়োজনীয় দোয়া  সহীহ দুআ ও যিকর নবীজির দোয়া সমূহ দোআ: ও যিক্‌রের ফযীলত Bangla Dua o Jikir


আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের অত্যন্ত জরুরি ও গোরত্বপুর্ণ কিস দুয়া ও জিকির সম্পর্কে অবগত করে গাসন যাতে করে আমরা ছোটো ছোটো দুআ ও জিকিরের মাজে অধিক লাবমান হতেপারি আমল গুলো ছোটো ছোটো হতে পারে কিন্তু তার নেকী অনেক বেশি তাই আমাদের উচিত সেই দোয়াও যিকির গোলোর আমল করা আমরা চাইলে অনেক সহজে সেই আমল গোল করতে পারি


দোআ: ও যিক্‌রের ফযীলত

শ্রেষ্ঠ জিকির সমূহ


মহান আল্লাহ বলেন:


فَاذْكُرُوْنِيْٓ اَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوْا لِيْ وَلَا تَكْفُرُوْنِ 

“অতএব তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব। আর তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর এবং আমার প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়ো না।”

সূরা আল-বাকারাহ্‌ - ২:১৫[২]


يٰٓاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا اذْكُرُوْا اللّٰهَ ذِكْرًا كَثِيْرًا 

হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর”

সূরা আল-আহযাব - ৩৩:৪[১]


وَالذّٰكِرِيْنَ اللّٰهَ كَثِيْرًا وَّّالذّٰكِرٰتِ ۙ اَعَدَّ اللّٰهُ لَهُمْ مَّغْفِرَةً وَّّاَجْرًا عَظِيْمًا 

“আর আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণকারী পুরুষ ও নারী: আল্লাহ তাদের জন্য ক্ষমা ও বিরাট পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।

সূরা আল-আহযাব - ৩৩:৩৫।


وَاذْكُرْ رَّبَّكَ فِيْ نَفْسِكَ تَضَرُّعًا وَّّخِيْفَةً وَّّدُوْنَ الْجَــهْرِ مِنَ الْقَوْلِ بِالْغُدُوِّ وَالْاٰصَالِ وَلَا تَكُنْ مِّنَ الْغٰفِلِيْنَ 

আর আপনি আপনার রব্বকে স্মরণ করুন মনে মনে, মিনতি ও ভীতিসহকারে, অনুচ্চস্বরে; সকালে ও সন্ধ্যায়। আর উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।

সূরা আল-আ‘রাফ: ২০৫। 


তাছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি তার রবের যিক্‌র (স্মরণ) করে, আর যে ব্যক্তি তার রবের যিক্‌র করে না— তারা যেন জীবিত আর মৃত।

তার মানে হলো যারা তার রবের যিকির করে তারা যেনো জীবিত আর যারা তার রবের জিকির করেনা তারা যেনো মৃত  [১] 


রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “আমি কি তোমাদেরকে তা জানাবো না— আমলের মধ্যে যা সর্বোত্তম, তোমাদের মালিক (আল্লাহ্‌র) কাছে যা অত্যন্ত পবিত্র, তোমাদের জন্য যা অধিক মর্যাদা বৃদ্ধিকারী, (আল্লাহ্‌র পথে) সোনা-রূপা ব্যয় করার তুলনায় যা তোমাদের জন্য উত্তম এবং তোমরা তোমাদের শত্রুদের মুখোমুখি হয়ে তাদেরকে হত্যা এবং তারা তোমাদের হত্যা করার চাইতেও অধিকতর শ্রেষ্ঠ?” সাহাবীগণ বললেন, অবশ্যই হ্যাঁ। তিনি বললেন, “আল্লাহ্ তা‘আলার যিক্‌র।” [২] 


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমার বান্দা আমার সম্পর্কে যেরূপ ধারণা করে, আমাকে সে তদ্রূপই পাবে; আর যখন সে আমাকে স্মরণ করে, তখন আমি তার সাথে থাকি। সুতরাং যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে, আমিও আমার মনে তাকে স্মরণ করি। আর যদি সে কোনো সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে এর চাইতে উত্তম সমাবেশে স্মরণ করি। আর সে যদি আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ নিকটবর্তী হয়, তাহলে আমি তার দিকে এক হাত পরিমাণ নিকটবর্তী হই। সে এক হাত পরিমাণ নিকটবর্তী হলে আমি তার দিকে এক বাহু পরিমাণ নিকটবর্তী হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দ্রুতবেগে যাই।” [৩] 


আব্দুল্লাহ ইবন বুসর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আরয করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ইসলামের বিধিবিধান আমার জন্য বেশি হয়ে গেছে। কাজেই আপনি আমাকে এমন একটি বিষয়ের খবর দিন, যা আমি শক্ত করে আঁকড়ে ধরব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা জিহ্বা যেনো সর্বক্ষণ আল্লাহ্‌র যিক্‌রে সজীব থাকে।” [৪] 


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কিতাব (কুরআন) থেকে একটি হরফ পাঠ করে, সে তার বিনিময়ে একটি সওয়াব পায়; আর একটি সওয়াব হবে দশটি সওয়াবের সমান। আমি আলিফ, লাম ও মীমকে একটি হরফ বলছি না। বরং ‘আলিফ’ একটি হরফ, ‘লাম’ একটি হরফ এবং ‘মীম’ একটি হরফ।” [৫] 


উকবা ইবন আমের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন। আমরা তখন সুফ্‌ফায় (মসজিদে নববীর আঙ্গিনায়) অবস্থান করছিলাম। তিনি বললেন, “তোমাদের মধ্যে কে আছে, যে প্রতিদিন সকালে বুতহান বা আকীক উপত্যকায় গিয়ে সেখান থেকে কোনো প্রকার পাপ বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন না করে উঁচু কুঁজবিশিষ্ট দু’টো উষ্ট্রী নিয়ে আসতে পছন্দ করে”? আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা তা পছন্দ করি। তিনি বললেন: “তোমাদের কেউ কি এরূপ করতে পার না যে, সকালে মসজিদে গিয়ে মহান আল্লাহ্‌র কিতাব থেকে দুটো আয়াত জানবে অথবা পড়বে; এটা তার জন্য দু’টো উষ্ট্রীর তুলনায় উত্তম। আর তিনটি আয়াত তিনটি উষ্ট্রী থেকে উত্তম, চারটি আয়াত চারটি উষ্ট্রী থেকে উত্তম। আর (শুধু উষ্ট্রীই নয়, বরং একইসাথে) সমসংখ্যক উট লাভ করা থেকেও তা উত্তম হবে।” [৬] 


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: “যে ব্যক্তি এমন কোনো বৈঠকে (মজলিসে) বসেছে যেখানে সে আল্লাহ্‌র যিক্‌র করে নি, তার সে বসাই আল্লাহ্‌র নিকট থেকে তার জন্য আফসোস ও নৈরাশ্যজনক হবে। আর যে ব্যক্তি এমন কোনো শয়নে শুয়েছে যেখানে সে আল্লাহ্‌র যিক্‌র করে নি, তার সে শোয়াই আল্লাহ্‌র নিকট থেকে তার জন্য আফসোস ও নৈরাশ্যজনক হবে।” [৭] 


রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: “যদি কোনো দল কোনো বৈঠকে বসে আল্লাহ্‌র যিক্‌র না করে এবং তাদের নবীর ওপর দরূদও পাঠ না করে, তাহলে তাদের সেই বৈঠক তাদের জন্য কমতি ও আফসোসের কারণ হবে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদেরকে শাস্তি দেবেন, অথবা তিনি চাইলে তাদের ক্ষমা করবেন।” [৮] 


রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন : “যদি কোনো একদল লোক এমন কোনো বৈঠক থেকে উঠল, যেখানে তারা আল্লাহ্‌র নাম স্মরণ করে নি, তবে তারা যেন গাধার লাশের কাছ থেকে উঠে আসল। আর এরূপ মজলিস তাদের জন্য আফসোসের কারণ হবে”। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদেরকে শাস্তি দেবেন, অথবা তিনি চাইলে তাদের ক্ষমাকরবেন।” [৯]


[১] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ ১১/২০৮, নং ৬৪০৭; মুসলিম, ১/৫৩৯, নং ৭৭৯, আর তার শব্দ হচ্ছে, 

«مَثَلُ الْبَيْتِ الَّذِي يُذْكَرُ اللهُ فِيهِ، وَالْبَيْتِ الَّذِي لَا يُذْكَرُ اللهُ فِيهِ، مَثَلُ الْحَيِّ وَالْمَيِّتِ»

“যে ঘরে আল্লাহ্‌র যিক্‌র হয়, আর যে ঘরে আল্লাহ্‌র যিক্‌র হয় না— তার দৃষ্টান্ত যেন জীবিত আর মৃত।”

[২] তিরমিযী ৫/৪৫৯, নং ৩৩৭৭; ইবন মাজাহ্‌ ২/১৬৪৫, নং ৩৭৯০; আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩১৬; সহীহ তিরমিযী ৩/১৩৯। 

[৩] বুখারী ৮/১৭১, নং ৭৪০৫; মুসলিম ৪/২০৬১, নং ২৬৭৫। তবে শব্দটি বুখারীর। 

[৪] তিরমিযী ৫/৪৫৮, নং ৩৩৭৫; ইবন মাজাহ্‌ ২/১২৪৬, নং ৩৭৯[৩] আর শাইখ আলবানী একে সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৩৯; সহীহ ইবন মাজাহ্ ২/৩১৭। 

[৫] তিরমিযী ৫/১৭৫, নং ২৯১০। শাইখ আলবানী একে সহীহ বলেছেন; দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/৯; সহীহ জামে সগীর-৫/৩৪০। 

[৬] মুসলিম, ১/৫৫৩; নং ৮০[৩] 

[৭] আবূ দাউদ ৪/২৬৪, নং ৪৮৫৬ ও অন্যান্য। দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৫/৩৪[২] 

[৮] তিরমিযী, ৫/৪৬১, নং ৩৩৮০। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৪০। 

[৯] আবূ দাউদ ৪/২৬৪, নং ৪৮৫৫; আহমদ ২/৩৮৯ নং ১০৬৮০। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৫/১৭৬।

Comments

Popular posts from this blog

শীর্ষ 6 টি উপায় অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সহজ ও সঠিক উপায় | Top 6 Way Online Theke Taka Income Korar

কিভাবে অনলাইন থেকে সঠিক উপায়ে ও সহজে টাকা ইনকাম করা যায় শীর্ষ 6 টি উপায় Kivabe Taka income Korbo  Kivabe Taka income Korbo  Best Way Online Theke Taka Income Korar  অনলাইন ইনকাম অনলাইন থেকে কিভাবে সহজে টাকা  ইনকাম করা যায় অথবা অনলাইনে কিভাবে টাকা  আয় করা যায় এ ধরনের প্রশ্নগুলো বেশির ভাগ করা হয়ে থাকে ইন্টারনেটে। আপনি যখন এখানে এসেছেন তাহলে অবশ্যই আপনি নতুন এবং আপনি অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় সেটা জানতে চাচ্ছেন। অথবা শিখতে চাচ্ছেন তো আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে আপনাকে সঠিকভাবে গাইড করা। আপনি যদি মনে করে থাকেন যে আপনাকে কোন মোবাইলের অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার লিংক দেওয়া হবে। অথবা ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া হবে কাজ করার জন্য এবং সেটা থেকে আপনি 500 টাকা অথবা 1000 টাকা দৈনিক ইনকাম করবেন বিকাশে পেমেন্ট নেবেন তাহলে আপনি ভুল জায়গায়  চলে এসেছেন।  আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত যে আপনাকে হতাশ করা ছাড়া আমার আর কিছুই করার নেই  তবে যদি আপনি সমস্ত আর্টিকেলটা পড়েন তাহলে আশাকরি আপনার যত ভুল ধারণা আছে সেই সবগুলো আর থাকবে না। যদি মোবাইলের সফটওয়্যার ডাউনলোড করে সফটওয়্যার  দিয়ে অথবা ওয়েব স

ব্লগ তৈরি করে টাকা ইনকাম করার উপায় | Blog Theke Kivabe Taka Income Korbo

ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায় কিভাবে ব্লগিং করতে হয় সম্পূর্ণ গাইড লাইন Blog Theke Kivabe Taka Income Korbo ব্লগ তৈরি করে আয়  ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায় আপনি যদি ব্লগ থেকে আ য়  করতে চান এবং ব্লগিং কিভাবে করে সেইটা সম্পূর্ণ ভাবে সবকিছু জানতে চান তাহলে অবশ্যই সম্পূর্ন পোস্ট পড়ুন আপনার সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর এখানে পেয়ে যাবেন ব্লগিং কিভাবে করতে হয় ব্লগিং করে কিভাবে আয় করা যায় সম্পূর্ণ। ব্লগ থেকে আ য়  করতে যে বিষয়গুলো নিয়ে এখানে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে সেই বিষয়গুলো প্রথমে একবার দেখে নিতে পারেন তাহলে আপনার বুঝতে একটু অসুবিধা হয়ে যাবে এবং আপনি যে বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন সে বিষয়টা এখানে খুঁজে পাবে সে ক্ষেত্রে আপনার সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়তে হবে না। ব্লগ কি এবং ব্লগিং কেন করে ব্লগ তৈরি করে আয় অথবা টাকা ইনকাম করা যায় কিনা ব্লগ কেন বলা হয় এবং  ব্লগিং কেন বলা হয়  ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়টির সম্বন্ধে আপনার জানতে হবে ব্লগ শুরু করতে হলে সর্বপ্রথম কি কি লাগবে ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়গুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়গুলো সম্বন্ধে আপনার ধারণা থাকতে হবে ব্লগিং কর

ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ | How To Earn by Freelancing in Bangladesh

 ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম এবং ফ্রিল্যান্সিং করার সম্পূর্ণ গাইড লাইন বাংলাতে How To Make Money From  Freelancing  Anf How To Start Freelancing in Bangladesh ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম ফ্রিল্যান্সিং এমন একটা শব্দ যে বর্তমানে সবার মুখে মুখে সোশ্যাল মিডিয়াতে এমন কোন প্ল্যাটফর্ম পাবেন না যেখানে ফ্রিল্যান্সিং থেকে টাকা ইনকাম করার বিষয়ে কথা হয় না। ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় সে বিষয়টা নিয়ে মোটামুটি সবারই মনে কৌতূহল জাগে সবাই চায় যে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে। সবাই শুনে যে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং করে মানুষ হাজার হাজার ডলার মাসে ইনকাম করে এবং সেই ক্ষেত্রে সবারই তো ইচ্ছা হয় যে আমিও ফ্রিল্যান্সিং  করে টাকা পয়সা ইনকাম করি সেজন্য সবাই চায় যে আমিও ফ্রিল্যান্সিং করে হাজার হাজার ডলার মাসে ইনকাম করতে পারব বা করব। প্রথমত এরকম চিন্তা ভাবনায় সবাই করে থাকে আর সেটার কারণ হলো সবাই মনে করে ফ্রিল্যান্সিং মনে হয় একেবারে সোজা শুধু ইন্টারনেটে বসলেই টাকা ইনকাম হবে আসলে মূল বিষয়টা কি ফ্রিল্যান্সিং করে কি সবাই টাকা ইনকাম করতে পারবে যদিও সেটা সম্ভব হয় তাহলে কিভাবে হবে সে জন্য কি ক