Skip to main content

ব্লগ তৈরি করে টাকা ইনকাম করার উপায় | Blog Theke Kivabe Taka Income Korbo

ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায় কিভাবে ব্লগিং করতে হয় সম্পূর্ণ গাইড লাইন Blog Theke Kivabe Taka Income Korbo

Blog Theke Kivabe Taka Income Korbo | ব্লগ তৈরি করে টাকা ইনকাম করার উপায়

ব্লগ তৈরি করে আয় ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায়

আপনি যদি ব্লগ থেকে আয় করতে চান এবং ব্লগিং কিভাবে করে সেইটা সম্পূর্ণ ভাবে সবকিছু জানতে চান তাহলে অবশ্যই সম্পূর্ন পোস্ট পড়ুন আপনার সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর এখানে পেয়ে যাবেন ব্লগিং কিভাবে করতে হয় ব্লগিং করে কিভাবে আয় করা যায় সম্পূর্ণ।

ব্লগ থেকে আয় করতে যে বিষয়গুলো নিয়ে এখানে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে সেই বিষয়গুলো প্রথমে একবার দেখে নিতে পারেন তাহলে আপনার বুঝতে একটু অসুবিধা হয়ে যাবে এবং আপনি যে বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন সে বিষয়টা এখানে খুঁজে পাবে সে ক্ষেত্রে আপনার সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়তে হবে না।

  1. ব্লগ কি এবং ব্লগিং কেন করে
  2. ব্লগ তৈরি করে আয় অথবা টাকা ইনকাম করা যায় কিনা
  3. ব্লগ কেন বলা হয় এবং  ব্লগিং কেন বলা হয় 
  4. ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়টির সম্বন্ধে আপনার জানতে হবে
  5. ব্লগ শুরু করতে হলে সর্বপ্রথম কি কি লাগবে
  6. ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়গুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে
  7. ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়গুলো সম্বন্ধে আপনার ধারণা থাকতে হবে
  8. ব্লগিং করলে ব্লগ থেকে কিভাবে টাকা আয় বা ইনকাম হয়
  9. ব্লগে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল এর জন্য কোন শর্তগুলো পূরণ করতে হবে
  10. ব্লগিং করলে এডসেন্স ছাড়া আর কোন উপায়ে আয় করা যায়
  11. ব্লগিং কোন টপিকস এর উপর এ শুরু করাটা ভালো হবে
  12. কোন ধরনের কাজ না করে ব্লগ থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়
  13. কোন ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষার উপরে ব্লগিং করলে ভালো হবে
  14. ব্লগের জন্য ভিজিটর বা ভিউজ কোথায় বা কিভাবে পাব
  15. ব্লগ থেকে আয় করলে সে টাকা হাতে কিভাবে আসে
  16. যারা ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে চান তাদের জন্য কিছু সতর্কবাণী
  17. যারা ব্লগিং করতে ভয় পান তাদের জন্য কিছু টিপস
  18. কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর

ব্লগ কি এবং ব্লগিং কেন করে

ব্লগিং কি ব্লগ বলতে যা বোঝায় সেটা হল ব্লগ একটা ওয়েবসাইট যেখানে লেখালেখির মাধ্যমে এবং ইমেজ (Image) এর মাধ্যমে এবং ভিডিওর (Video)মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করা হয় মানে বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে শেখানো হয় এবং বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে জ্ঞান দেওয়া হয়।

আপনি যে ধরনের বিষয় জানতে চান যে কোন কিছু সম্বন্ধে জানতে চান সবকিছু পেয়ে যাবেন নেটে অনুসন্ধান করলে মানে সার্চ (search) করলে ব্লগের মাধ্যমে সব ধরনের তথ্যই পাবেন।

ব্লগিং কেন করে মূলত ব্লগিং করাটা হচ্ছে টাকা আয় বা ইনকাম করার জন্য বর্তমানে অনলাইনে টাকা ইনকামের জন্য ব্লগ খুব ভালো একটা মাধ্যম বর্তমানে ব্লগিং করে প্রতিমাসে অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করছে।

এটাই হচ্ছে ব্লগের মোটা মাটা মানে ছোটখাটো  একটা এক্সাম্পল।

তাহলে চলুন আমরা বিস্তারিতভাবে জেনে নেই ব্লগ তৈরি করে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় এবং ব্লগ তৈরি করতে হলে কোন কোন জিনিসের প্রয়োজন হয় কোন কোন বিষয় মেনে চলতে হয় এবং কোন বিষয়গুলো জানতে হয়।



ব্লগ তৈরি করে আয় অথবা টাকা ইনকাম করা যায় কিনা

অবশ্যই ব্লগিং করে ভালো পরিমাণ এর অর্থ  ব্লগ থেকে আয় করা যায় এবং যাদের লেখালেখির অভ্যাস আছে অথবা লেখালেখি করতে ভালোবাসে তাদের জন্য তো একেবারেই সহজ তারা খুব সহজেই ব্লগিং করে ব্লগ থেকে টাকা আয় করতে পারবে।

আমি বলব যারা স্টুডেন্ট লেখাপড়া করে তারা যদি লেখাপড়ার পাশাপাশি ব্লগিং করার ট্রাই করে তাহলে এইটা তাদের জন্য ভবিষ্যতে খুব ভালো একটা অপারচুনিটি হতে পারে ব্লগিং করে ব্লগ থেকে টাকা আয় করার ক্ষেত্রে।

লেখালেখি যারা ভালবাসেন এবং লেখালেখি যারা করতে পারেন শুধু তারাই যে টাকা ইনকাম করবে সেটা নয় অন্যরাও টাকা ইনকাম করতে পারবে ব্লগিং করাটা খুব কঠিন কিছু না।

বর্তমানে ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করাটা অনেক সহজ হয়ে গেছে আগের তুলনায় বর্তমানে চাইলে সবাই ব্লগ থেকে কমবেশি টাকা ইনকাম করতে পারে ব্লগ বলেন অথবা ওয়েবসাইট বলেন দুইটার মানে একই।


ব্লগ কেন বলা হয় এবং  ব্লগিং কেন বলা হয় 

ব্লগিং বলা হয় এই কারণে যারা ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করে ব্লগ লেখে তারাই ব্লগিং বা ব্লগ বলে থাকে যেমন অনেকে বলে আমি ব্লগ লেখে ইনকাম করি আবার অনেকে এটাও বলে আমি ব্লগিং করে ইনকাম করি।

এবং যারা ব্লগ পোষ্ট পড়ে তারাও ব্লগ বলে থাকে তারা কখনো ব্লগিং বলে না যেমন আমি আজকে একটা ব্লগ পড়েছি অথবা আমি আজকে একটা  ব্লগের আর্টিকেল পড়েছি এতোটুকুই। 


ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়টির সম্বন্ধে আপনার জানতে হবে

ব্লগিং করতে হলে সর্বপ্রথম আপনার যেটা জানতে হবে সেটা হল লেখালেখি মানে আপনি যে কোন একটা বিষয় নিয়ে ব্লগে লিখবেন তাহলে অবশ্যই আপনার যে কোন একটা বিষয়ের উপরে ভালো ধারণা থাকতে হবে যাতে করে আপনি ওই বিষয় নিয়ে ভালো কিছু লিখতে পারেন।

কারণ ভিউয়ার্স যখন আপনার ব্লগ পড়তে আসবে তখন আপনি যদি ভালো মানের কিছু ইনফরমেশন আপনার ভিউয়ার্স কে দিতে না পারেন  তাহলে আপনার সাইটে দ্বিতীয়বার ওই ভিউয়ার্স আর আসবেনা।

 একটা কথা মনে রাখবেন ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করার মূল হচ্ছে অডিয়েন্স মানে ভিউয়ার্স আর যদি ভিউয়ার্স না থাকে তাহলে আপনি টাকা ইনকাম করবেন কি দিয়ে।

এবং সে বিষয়ে আপনাকে একটা কথা বলতে পারি সেটা হলো যে বিষয়ে আপনার ভালো নলেজ আছে যে বিষয়ে আপনি পারদর্শী সে বিষয় নিয়ে ব্লগে লেখালেখি করলে খুব সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।


ব্লগ শুরু করতে হলে সর্বপ্রথম কি কি লাগবে

আপনি প্রথম অবস্থায় ফ্রিতে ব্লগ শুরু করতে পারেন কিংবা কিছু টাকা খরচ করেও ব্লগিং শুরু করতে পারেন ফ্রিতে করলে গুগলের blogspot.com দিয়ে শুরু করতে পারেন।

অথবা তার সাথে অল্প কিছু টাকা খরচা করে একটা ডোমেইন কিনে নিতে পারেন  খুব বেশি টাকা লাগে না বর্তমানে 950 টাকার মধ্যে এক বছরের জন্য .com ডোমেইন পাওয়া যায় ও এছাড়া .xyz ডোমেইন প্রথম বছরের জন্য বর্তমানে অফার চলছে 250 টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

অথবা আপনি যদি মনে করেন না আমি প্রথমেই টাকা ইনভেস্ট করে ভালো করে ব্লগিং করা শুরু করে দিব গুরুত্বের সাথে তাহলে আপনি আরও এডভান্স লেভেলে যেতে পারেন যেমন ডোমেইন এবং হোস্টিং নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আপনার ব্লগিং জার্নি শুরু করতে পারেন।

তবে আমার কাছে জানতে চাইলে আমি বলব যে একটা ডোমেইন কিনে ব্লগের সাথে  অ্যাড করে  ব্লগ থেকেই ব্লগিং শুরু করেন সেটাই ভালো হবে।

আপনি যদি একেবারে ফ্রী তে ব্লগিং শুরু করতে চান সেটাও করতে পারবেন অথবা কিছু টাকা খরচ করেও করতে পারবেন এ বিষয়টা পুরোটাই আপনার ব্যক্তিগত সেজন্য এটা আমি আপনার ওপরে ছেড়ে দিলাম।

যদি এই বিষয় নিয়ে কোন কিছু জানার থাকে কোন কিছু জানার প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন আমি রিপ্লে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।


ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়গুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে

প্রথমত আপনার কনটেন্ট আপনার নিজের লিখতে হবে অথবা কনটেন্ট রাইটার হায়ার করে কনটেন্ট লেখাতে হবে কপিরাইট কনটেন্ট হলে চলবে না তাহলে সেটা গুগলের রেঙ্ক হবে না এবং এডসেন্সের অনুমোদন ও পাবেন না। (AdSense approval)

কপিরাইট কনটেন্ট বলতে আপনি অন্য কারো পোস্ট থেকে কনটেন্ট কপি করে নিয়ে এসে আপনার সাইটে পেস্ট করে পাবলিশ করবেন এ ধরনের কনটেন্ট কে কঁপিরাইট কন্টেন বলা হয়।

তবে আপনি যে বিষয় নিয়ে লেখালেখি করবেন খুঁজে দেখতে পারেন সে বিষয় নিয়ে আরও কারা লেখালেখি করছে কিরকম ভাবে লিখছে ওখান থেকে কিছুটা আইডিয়া নিয়ে আপনি লিখতে পারেন কিন্তু অন্যের কনটেন্ট কপি করে নিলে হবে না।

যদি আপনার কনটেন্ট 20 অথবা 25% কপিরাইট ইস্যু থাকে তাহলে সমস্যা নেই চলবে যদি 70 অথবা 80 পার্সেন্ট কপিরাইট ইস্যু থাকে তাহলে সেই কনটেন্ট চলবে না এবং কখনোই গুগলে রেঙ্ক ও করবে না সে বিষয়গুলো আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

এবং আপনার ব্লগের পোস্টে যে ইমেজ গুলো ব্যবহার করবেন সেগুলো কপিরাইট ফ্রি হতে হবে বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো থেকে ফ্রী ভিডিও ফুটেজ এবং ইমেজ ডাউনলোড করা যায় সেখান থেকে ডাউনলোড করে কিছুটা এডিটিং করে ব্যবহার করতে পারেন সে ক্ষেত্রে কোন প্রবলেম হবে না।

এবং যেখান থেকে ডাউনলোড করবেন সেখানে যে ব্যক্তির ইমেজ বা ভিডিও ফুটেজ ডাউনলোড করবেন যদি তার ক্রেডিট দেন সে ক্ষেত্রে আরো ভালো হয়।

এবং আপনি অবশ্যই গুগলের এডসেন্স প্রোগ্রাম পলিসি (AdSense Program policies)  টা ভালো করে পড়ে এবং ভালো করে বুঝে নেবেন তাহলে আপনার জন্য অনেক সুবিধা হয়ে যাবে পরবর্তীতে কোন ধরনের প্রবলেম হবেনা।


ব্লগিং করতে হলে যে বিষয়গুলো সম্বন্ধে আপনার ধারণা থাকতে হবে

প্রথমত আর্টিকেল লেখার নিয়ম কি আর্টিকেল এর মাঝখানে কিওয়ার্ড কিভাবে প্লেসমেন্ট করতে হয়   (Keyword placement) এবং অন পেজ  ও অফ পেজ এসইও কিভাবে করতে হয়। (On page and off page SEO)

কিভাবে ব্লগ এর জন্য সাইট ম্যাপ বানাতে হয় কিভাবে ব্লগ কে (Google Search Console)  গুগল সার্চ কনসলে অ্যাড করতে হয় এবং ব্লগ পোষ্ট গুলোকে কিভাবে গুগল সার্চ কনসলে সাবমিট করতে হয়।

এবং ব্লগের বেসিক সেটিং গুলো কিভাবে করতে হয় এবং ব্লগের মেটাডাটা গুলো কিভাবে লিখতে হয় মেটাডাটা লেখার সময় কিওয়ার্ড কিভাবে প্লেসমেন্ট করতে হয় ব্লগের ডেসক্রিপশন কিভাবে লিখতে হয়।

এ বিষয়গুলো সম্বন্ধে আপনার কিছুটা ধারনা অবশ্যই থাকতে হবে না হলে আপনি আর্টিকেল লিখে গুগলে রেঙ্ক করাতে পারবেন না সেজন্য এ বিষয়গুলো নিয়ে কিছুটা ঘাটাঘাটি আপনার করতে হবে কিছুটা আইডিয়া নিতে হবে।

আর যদি এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনার কিছুটা ধারণা থেকে তাকে কিংবা ধারণা হয়ে যায় তাহলে আপনি সহজেই ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন প্রথমত কিছুটা সময় অবশ্যই লাগবে যদি আপনি একেবারে নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কিছুটা শিকার ব্যাপার স্যাপার আছে সেজন্য কিছুটা সময় লাগবে আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।


ব্লগিং করলে ব্লগ থেকে কিভাবে টাকা আয় বা ইনকাম হয়

ব্লগিং করলে কিভাবে টাকা ইনকাম হয় বা কিরকম টাকা ইনকাম হয় আসলে এটাই মূল বিষয় আপনি এত কষ্ট করে কাজ করবেন তো আপনার অবশ্যই জানা দরকার কিরকম টাকা ইনকাম হয় এবং কিভাবে হয়।

প্রথমত আপনার ইনকাম করতে হলে আপনার ব্লগে ভিউজ থাকতে হবে তাহলে আপনি ইনকাম করতে পারবেন আর ইনকাম গুলো কিভাবে হয় টাকা কোথায় থেকে আসে এবং কিভাবে আসে।

প্রথম ইনকাম সোর্স হল গুগল এডসেন্স আপনার গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল (Google AdSense Approval) পাওয়ার পর গুগল  আপনার সাইটে এড শো করাবে।

সেই অ্যাড এ কেউ যদি ক্লিক করে তাহলে আপনার ইনকাম হবে এবং অ্যাড যে মানুষ দেখবে আপনার সাইটের কনটেন্ট এর সাথে সেক্ষেত্রেও ইম্প্রেশন এর মাধ্যমে আপনি টাকা পাবেন।

এবং প্রতি 1000 ইম্প্রেশন এর জন্য গুগল আপনাকে হয়তো 1$ ডলার 2$ ডলার অথবা 5$ ডলার থেকে দশ 10$ ডলার ও দিতে পারে সেটা নির্ভর করে সিপিসি সিপিএম  এসিপিম (CPM, CPM, eCPM)  এর উপরে।

এবং ক্লিকের ক্ষেত্রেও একই রকম প্রতি ক্লিকে আপনাকে হয়তো 0.1$ ডলার থেকে শুরু করে 1$ ডলার 5$ ডলার 10$ ডলার অথবা আরও বেশি ও দিতে পারে।


ব্লগে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল এর জন্য কোন শর্তগুলো পূরণ করতে হবে

ব্লগে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল এর জন্য সর্বপ্রথম শর্ত হলো আপনার ব্লগে কপিরাইট ফ্রি ব্লগপোষ্ট থাকতে হবে এবং 15 থেকে 20 টার মত পোস্ট  আপনার ব্লগে  থাকলে ভালো হয়।

দ্বিতীয় শর্ত হলো প্রতিটা আর্টিকেল 500 ওয়ার্ড (word) এর উপরে হতে হবে তবে এক্ষেত্রে গুগল বলে 300 ওয়ার্ড (word) এর আর্টিকেল হলেই অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল দিয়ে দিবে এবং সেই আর্টিকেল এর ভ্যালু থাকতে হবে যেটা থেকে ভিজিটর কিছু জানতে পায় অথবা কিছু শিখতে পারে আপনার আর্টিকেল থেকে।

তবে আমি বলবো 1500 থেকে 2000 ওয়ার্ড (word)-এর আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করবেন সে ক্ষেত্রে আপনার আর্টিকেলের রেংকিং বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল ও সহজে পাওয়া যায়।

দ্বিতীয় নাম্বার শর্ত হলো আপনার ব্লগে পেজ থাকতে হবে এবং কোন কোন পেজগুলো থাকতে হবে সেগুলো হচ্ছে  Contact Us,  About Us,  Privacy Policy, Terms And Conditions  এই পেজ গুলো অবশ্যই থাকতে হবে।

এই পেজ গুলো কিভাবে বানাতে হয় এটা নিয়ে যদি কেউ জানতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আমি অবশ্যই আপনাকে হেল্প করার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ

চতুর্থ নাম্বার শর্ত হচ্ছে আপনার ব্লগ 1 মাসের পুরনো হতে হবে এবং আপনার ব্লগে যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে  তাহলে একমাসের পুরনো হতে হবে না 15 থেকে 20 দিনের হলেও হয়ে যায় সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে না।

তবে সে ক্ষেত্রে আমি বলব যে আপনি সবকিছু ঠিকঠাক করে ব্লগে কিছু ভিজিটর নিয়ে এসে তারপর একমাস পরেই এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করুন সেটাই ভালো হবে।

এবং পঞ্চম নাম্বার শর্ত হলো ভিজিটর আপনার ব্লগে কতগুলো ভিজিটর আছে এবং এবং সেই ভিজিটর গুলো অর্গানিক কিনা আসলে অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল এর জন্য ভিজিটরের প্রয়োজন কিনা।

ব্লগের অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল এর জন্য ভিজিটর কোন বিষয় না আপনার ব্লগে কতগুলো ভিজিটর আছে কতগুলো ভিজিটর প্রতিদিন আসে বা কোত্থেকে আসে।

অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল এর জন্য  এগুলোর মানে ভিজিটরের  প্রয়োজন হয়না বাদবাকি যে চারটা শর্ত বলেছি ওইগুলো আপনাকে ফুল ফিলাপ করতে হবে সঠিকভাবে তাহলে আপনি অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পেয়ে যাবেন সহজেই  এবং যদি কিছু ভিজিটর থাকে সেক্ষেত্রে তো আরো অনেক ভালো হয়।

সত্য কথা বলতে কি ভিজিটরের দরকার আপনার গুগলের ভিজিটরের দরকার নেই কারণ ভিজিটর থাকলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন যদি বিজি না থাকে তাহলে আপনি ব্লগিং করে  আর টাকা ইনকাম করতে পারবেন না সে ক্ষেত্রে গুগলের চেয়েও আপনার ভিজিটর বেশি প্রয়োজন


ব্লগিং করলে এডসেন্স ছাড়া আর কোন উপায়ে আয় করা যায়

এডসেন্স ছাড়াও আরো ভালো উপায় আছে ব্লগ থেকে ইনকাম করার আর সেটা হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমানে ব্লগ থেকে অনেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।

আপনার ব্লগে যদি ভিউজ থাকে আপনি যদি ব্লগে ভালো পরিমাণের ইউজার নিয়ে আসতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনিও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভালো পরিমাণের টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এবং ব্লগে বালম পরিমাণের ভিউজ আসলে স্পনসর্শিপ পাওয়া যায় এবং স্পন্সার করেও ভালো পরিমাণের টাকা ইনকাম করা যায় যারা স্পন্সর দেবে তাদের কাছ থেকে।

তাছাড়াও গুগল এডসেন্স এর আরো অনেক অল্টারনেটিভ আছে যেগুলো দিয়ে আপনার ব্লগে এড শো করাতে পারবেন এবং সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।


ব্লগিং কোন টপিকস এর উপর এ শুরু করাটা ভালো হবে

ব্লগিং কোন টপিক নিয়ে লিখব অথবা কোন টপিকস এর উপর লেখালেখি করলে ভালো হবে এ বিষয়টা নিয়ে নতুন অবস্থায় অনেক টেনশন হয় এবং টপিকস খুঁজে পাওয়া যায় না যে কোন টপিকস এর উপর লিখব।

প্রথমাবস্থায় ব্লগ লিখতে গেলে অনেক ধরনের প্রবলেম ফেস করতে হয় কিভাবে শুরু করব কিভাবে ব্লগ লিখলে ভালো হবে এবং কিভাবে ভালো কিছু ইনফরমেশন ভিউয়ার্স এর কাছে পৌঁছানো যায় কিভাবে ব্লগ লেখলে আমার চাইতে বেশি ভিউজ আসবে এই ধরনের প্রবলেম শুরুতে হয়ে থাকে।

এটা কোন প্রবলেম না শুরুতে এরকম হতেই পারে আপনি একবার লেখা শুরু করে দেন দেখবেন যে অল্প কিছুদিনের মধ্যে শুধু লেখার গতি বেড়ে চলেছে আর সেজন্য আপনাকে প্রথম লেখা শুরু করতে হবে।

তবে প্রথম যে বিষয়টা আমি আপনাকে বলব সেটা হল আপনাকে একটা সিঙ্গেল সাবজেক্ট বেছে নিতে হবে কারণ আপনি যদি একসাথে অনেকগুলো সাবজেক্ট নিয়ে ব্লগে লিখতে চান তাহলে আপনি সহজে সাকসেস হতে পারবেন না অনেক সময় লেগে যাবে।

বর্তমানে অনেক সাবজেক্ট এর উপরে  ব্লগ লেখে সাক্সেস হওয়া টা অনেক অনেক  কঠিন আর সেজন্য আপনাকে একটা সিঙ্গেল নিস বেছে নিতে হবে মানে যে কোন একটা সাবজেক্ট আপনাকে বেছে নিতে হবে।

যেমন আপনি যদি মোবাইল সম্বন্ধে পোস্ট লেখেন তাহলে আপনার ব্লগে শুধু মোবাইল সম্বন্ধে পোস্ট লিখবেন অন্য কোন বিষয় নিয়ে লিখবেন না।

অথবা আপনি যদি কসমেটিকস নিয়ে লেখেন তাহলে শুধু কসমেটিকস নিয়ে লিখবেন অন্য কোন বিষয় নিয়ে আর লিখবেন না মানে আপনি যে কোন একটা বিষয় নিয়ে শুধু ব্লগে লেখালেখি করুন যেকোনো একটা সাবজেক্ট নিয়ে।

আমিতো এখানে শুধু দুইটা এক্সাম্পল দিলাম মাত্র এরকম হাজারো সাবজেক্ট আছে যেগুলো নিয়ে আপনি ব্লগ লিখতে পারেন এবং যদি এই নিয়ম মেনে চলেন তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে সাকসেস হতে পারবেন অল্প কিছুদিনের মধ্যে টাকা ইনকাম শুরু করতে পারবেন।

এবং এরকম সিঙ্গেল সাবজেক্ট নিয়ে ব্লগিং করলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য অনেক সুবিধা হয় এফিলিয়েট মার্কেটিং যারা করে তারা শুধু যেকোনো একটা বিষয়ের উপরে লেখালেখি করে তাহলে এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকেও ইনকাম হয়।


কোন ধরনের কাজ না করে ব্লগ থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়

কোনরকম কাজ ছাড়াই ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করা যায় এবং সেজন্য আপনাকে প্রথমত কিছু টাকা ব্যয় করতে হবে যেমন আপনাকে একটা হোস্টিং কিনতে হবে এবং ডোমেইন কিনতে হবে এগুলো এবং তাছাড়া আপনাকে এটার পাশাপাশি পিএইচপি স্ক্রিপ্ট PHP Script কিনতে হবে।

এবং আপনাকে পিএইচপি স্ক্রিপ্ট PHP Script সার্ভারে ইন্সটল করতে হবে এবং এতে আপনার অল্প কিছু টাকা ইনভেস্ট করবেন প্রথমত এবং তারপর আপনার অল্পকিছু এসইওর প্রয়োজন হবে বাস ততটুকু আর আপনাকে কোন কিছু করতে হবে।

তাহলে আমি বিষয়টা কিছুটা বুঝিয়ে বলি যাতে করে নতুনদের জন্য একটু সুবিধা হয় যেমন ধরেন কিছু সাইট রয়েছে যেগুলো সিঙ্গেল পেজের যেমন ইমেজ কনভার্তের তারপর প্রাইভেসি পলিসি জেনারেটর অথবা ফটো ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার এ ধরনের যে সাইটগুলো রয়েছে সিঙ্গেল পেজ এর আপনাকে এরকম সাইট বানাতে হবে।

আমি তো এখানে আপনাকে তিনটা এক্সাম্পল দিলাম এরকম হাজারো নিশ আছে এর চেয়েও আরো ভালো ভালো নিশ আছে যেগুলো আপনি একটু ঘাটাঘাটি করলে পেয়ে যাবেন।

এবং এ ধরনের সাইটে মিলিয়ন এর উপরে ট্রাফিক আসে যদি আপনি সঠিক একটা সাবজেক্ট সিলেক্ট করে ওয়েবসাইট বানাতে পারেন তাহলে আপনি ভাল পরিমাণের টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারবেন শুধু একটা সিঙ্গেল  পেজ ওয়েবসাইট থেকে এবং আপনাকে কোনো কাজও করতে হবে না।

যেহেতু আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করবেন সে ক্ষেত্রে ভালো একজন ডেভলপারকে হায়ার করবেন ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে এবং তাকে দিয়ে সম্পূর্ণ কাজ করিয়ে নেবেন এবং সেটা আপনার জন্য ভালো হবে।

অথবা যদি আপনি নিজে করতে পারেন সেটা আরো ভালো হয় তবে যদি আপনার সঠিক ধারণা না থাকলে তাহলে একজন ডেভলপারকে দিয়ে করানো টা ভালো হবে কারণ সাইটটা একটুও প্রফেশনাল হতে হবে যদি আপনি ওই ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করতে চান।

কিছু ব্লগার আছে যারা এরকম সিঙ্গেল পেজ ওয়েবসাইট বানিয়ে হাজার ডলারের উপরে মাসে ইনকাম করে এবং আপনিও চাইলে করতে পারবেন তবে আপনাকে ভালো একটা নিশ বেছে নিতে হবে।


কোন ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষার উপরে ব্লগিং করলে ভালো হবে

এখানে একটা বিষয় আপনাকে মনে রাখতে হবে যে কোন ভাষার উপরে আপনি পারদর্শী কোন ভাষাতে আপনি ভাল বলতে পারেন এবং ভাল লিখতে পারে এবং সে ভাষার উপরেই আপনার ব্লগিং করা উচিত

যদি আপনি আপনার মাতৃভাষা দিয়ে ব্লগিং করেন তাহলে সহজে সাকসেস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে কারণ আপনার মাতৃভাষা দিয়ে আপনার সবগুলো বিষয় খুব সহজে এবং ক্লিয়ার ভাবে বুঝাতে পারবেন।

এখানে অবশ্য আরো কিছু বিষয় আছে যেমন ইংলিশে ব্লগিং করলে ইনকাম টা একটু বেশি হয় কারণ ইউএস (US) থেকে ভিজিটর আসলে সিপিসি সিপিএম একটু বেশি পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে যদি আপনি ইংলিশে পারদর্শী হন তাহলে বলব অবশ্যই ইংলিশে ব্লগিং করার জন্য।

ইনকামের দিক বিবেচনা করলে এবং ভিজিটরের দিক বিবেচনা করলে কারণ ইংলিশে ব্লগিং করলে পুরো বিশ্ব থেকে ভিজিটর আসবে সেক্ষেত্রে আপনার ব্লগ দ্রুত বৃদ্ধি (Grow)করবে।

এবং আর একটা কথা মনে রাখবেন ইংলিশে ব্লগিং করলে সেক্ষেত্রে আপনার কম্পিটিশন ও অনেক বেশি হাই থাকবে এই বিষয়টাও আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

এবং যদি আপনার কনটেন্ট হানডেট পারসেন 100%  কপিরাইট ফ্রি হয় এবং কোয়ালিটি ভাল হয় তাহলে আপনার কম্পিটিশনের বিষয়টি নিয়ে এত চিন্তা করতে হবে না অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনার আর্টিকেল গুগলে রেংকিং করবে  এবং আপনি ইনকাম ও করতে পারবেন।


ব্লগের জন্য ভিজিটর বা ভিউজ কোথায় বা কিভাবে পাব

ব্লগের ভিজিটর নিয়ে প্রথম অবস্থায় কিছুটা প্রবলেম তো হয়েই থাকে সবার ক্ষেত্রেই তবে আপনি কিভাবে অল্প সময়ের মধ্যে ব্লগে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন এবং আপনার ব্লগ রেংকিং করাতে পারেন।

অর্গানিক ট্রাফিক প্রথম অবস্থায় পাওয়াটা তো একটু কঠিন সে কারণে প্রথম অবস্থায় আপনাকে অন্য পন্থা অবলম্বন করতে হবে ভিজিটরের জন্য তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার প্রথম অবস্থায় কি করণীয় আছে।

সেই ক্ষেত্রে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কোরা (Quora) কোরাতে বর্তমানে সব ধরনের প্রশ্ন করা হয়ে থাকে সে প্রশ্নের উত্তর যদি আপনার পোস্টে থাকে তাহলে আপনি সেখানে শেয়ার করতে পারেন।

যে প্রশ্নগুলো করা হয় সেই প্রশ্নের সম্বন্ধে কিছুটা লেখে আপনার পোস্টের লিংক শেয়ার করতে পারেন এবং এই ভিজিটর কে অর্গানিক ভিজিটর বলেই গণ্য করা হবে এবং আপনার ব্লগের পোস্ট জলদি গুগলে রেঙ্ক হবে।

এবং সেটার কারণ হলো গুগোল সহজে বুঝতে পারবে আপনার আর্টিকেলে কোন বিষয়ে লেখা হয়েছে কোন ধরনের কিওয়ার্ড আপনার আর্টিকেলে আছে কোন ধরনের ভিজিটরকে আপনারা আর্টিকেলে পাঠাতে হবে সেটা গুগোল খুব সহজে বুঝতে পারবে।

এবং আপনার পোস্ট রেংকিং এর জন্য অনেক সুবিধা হবে অনেক সহজ হয়ে যাবে তবে সে ক্ষেত্রে আপনার পোস্টে অবশ্যই যে বিষয়ের উত্তর দিতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে কিছু  ব্লগপোস্ট এর মধ্যে লেখা থাকতে হবে।

এবং তাছাড়াও আরো অন্যান্য কিছু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে আপনি আপনার পোস্ট শেয়ার করতে পারেন এবং পোস্ট লিংক শেয়ার করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আছে যেটা আপনাকে জানতে হবে এবং সেটা মেনে লিংক শেয়ার করতে হবে।

যে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইট গুলোতে আপনি লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন এবং সহজেই আপনার সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন সেগুলো হচ্ছে

Quora,  Facebook,   Twitter,  Instagram,


ফেসবুক, টুইটার,,ইনস্টাগ্রাম, কোরা,  এখানে শুধু আমি এগুলোর এক্সাম্পল দিলাম এরকম আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকে আপনি আপনার ব্লগের জন্য ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন।


ব্লগ থেকে আয় করলে সে টাকা হাতে কিভাবে আসে

ব্লগ থেকে ইনকাম করলে সে টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে আপনার হাতে আসে যে ব্যাংক গুলো অনলাইন পেমেন্ট এক্সেপ্ট করে এরকম যেকোন একটা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হলেই হবে।

আপনি যখন অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পেয়ে যাবেন তখন আপনাকে ব্যাংক একাউন্ট এডসেন্স এর সাথে অ্যাড করতে হবে এবং যে ব্যক্তির একাউন্টে আপনি টাকা আনতে চান আপনার নিজের একাউন্টে অথবা আপনার ফ্যামিলির কারো একাউন্টে আনতে চান তার সঠিক নাম এবং সঠিক এড্রেস দিতে হবে।

এবং গুগল প্রতি মাসে মাসে আপনাকে সেই একাউন্টে টাকা পাঠাবে তবে আপনার 100$ ডলারের উপরে হতে হবে যদি 100$ ডলারের কম হয় তাহলে গুগল আপনাকে পেমেন্ট করে না যখন আপনার অ্যাডসেন্সে 100$ ডলার পূরণ হয়ে যাবে তখনই পেমেন্ট করবে।

ব্লগ থেকে কিভাবে টাকা আসে কিভাবে মানুষ ইনকাম করে সে টাকা হাতে কিভাবে পায় এ ধরনের প্রশ্ন গুলো আসলে বেশি হয়ে থাকে আমি বলবো প্রথমে ইনকাম করেন তারপরে টাকা কিভাবে হাতে আসবে সেটা চিন্তাভাবনা করবেন।


যারা ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে চান তাদের জন্য কিছু সতর্কবাণী

যদি আপনি সত্যিই ব্লগিং করতে চান তাহলে টাকার জন্য লোভে পড়ে ব্লগিং করতে যাবেন না তাহলে আপনি ফেঁসে যাবেন সর্বপ্রথম আপনাকে ব্লগিং সম্বন্ধে জানতে হবে বুঝতে হবে এবং তারপরে ব্লগিং থেকে ইনকাম এর চিন্তাভাবনা করবেন।

এটা ঠিক আছে যে ব্লগিং করে মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে কিন্তু তার মানে এই না যে আপনি আজকে আসলেন কালকে ব্লগিং শুরু করলেন তারপর দিন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করবেন এরকম কিছু হয়না।

এটা ঠিক আছে যে ব্লগিং করে মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা ব্লগ থেকে ইনকাম করছে কিন্তু তার মানে এই না যে আপনি আজকে আসলেন কালকে ব্লগিং শুরু করলেন তারপর দিন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করবেন এরকম কিছুই না। 

একটা কথা মনে রাখবেন যদি আপনি সত্যিই ব্লগিং করে ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করতে চান এবং সাকসেসফুল ব্লগার হতে চান তাহলে আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে হবে।

যদি আপনি উল্টাপাল্টা কিছু করে সর্টকাটে সাকসেস হতে চান অথবা চেষ্টা করেন তাহলে সাকসেস তো হতে পারবেন না বরংচ উল্টা আপনি ফেঁসে যাবেন আশা করি আমার কথাগুলো বুঝতে পেরেছেন এবং সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।


যারা ব্লগিং করতে ভয় পান তাদের জন্য কিছু টিপস

আসলে ব্লগিং করাটা আপনারা যতটুকু কঠিন মনে করছেন আসলে কতটুকু কঠিন না ব্লগিং করাটা একেবারেই সহজ তবে কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনাকে জানতে হবে এবং বুঝে নিতে হবে প্রথম অবস্থায় তাহলে দেখবেন ব্লগিং করাটা একেবারেই সহজ।

এবং অবশ্যই আপনাকে একটা সিঙ্গেল সাবজেক্ট নিয়ে ব্লগিং করতে হবে তাহলেই ব্লগিং করাটা আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে তাছাড়া সব সাবজেক্ট নিয়ে লেখালেখি করতে গেলে অনেক কঠিন হয়ে যাবে।

যদি ব্লগিং করবেন কি করবেন না এটা নিয়ে দোটানার মধ্যে থাকেন তাহলে আমি বলব যে কোন একটা সিঙ্গেল সাবজেক্ট নিয়ে শুরু করে দিন এখানে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই এখানে কোন ভুল হলে আপনাকে কেউ সাজা দেবে না।

এবং সবার জন্য একটা কথা বলব যে প্রথম অবস্থায় ব্লগিং কে কেউ ফুলটাইম হিসাবে নেবেন না প্রথমে সবাই পার্টটাইম হিসাবে ব্লগিং করার চেষ্টা করবেন তার মানে হল আপনি যে কর্ম করছেন তার পাশাপাশি কিছু সময় ব্লগিং করার চেষ্টা করবেন।

আর যদি আপনার কোন কাজ না থাকে আপনি একেবারে বেকার থাকেন তাহলে ফুল টাইমই ব্লগিং করতে পারেন সিরিয়াসলি যদি আপনি বেকার থাকেন সেক্ষেত্রে।

যারা এই পর্যন্ত পড়েছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং আপনার যদি এই বিষয়ে কিছু বলার  থাকে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন এবং যদি কোন বিষয়ে জানতে চান সেটাও কমেন্ট করে জানাবেন আমি অবশ্যই রিপ্লাই দিব ইনশাআল্লাহ আবারো সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।


কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর

blogspot.com এ অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়া যাবে?

অবশ্যই blogspot.com অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পাওয়া যাবে এডসেন্স এর জন্য ডোমেইন জরুরি না তবে থাকলে ভালো হয় রেঙ্ক একটু সহজে হয়ে যায়  তবে আপনি চাইলে ব্লগে ফ্রি ডোমেইন ত্ত ফ্রি থিম দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল নিতে পারবেন।


বাংলা ভাষায় ব্লগিং করলে কি ইনকাম করা যাবে?

অবশ্যই বাংলা ভাষায় ব্লগিং করলে টাকা ইনকাম করা যাবে এবং অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পাওয়া যাবে এটা নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না  কারণ এডসেন্স অনেকগুলো ভাষায় কে সাপোর্ট করে।


অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল থাকলে ডোমেইন চেঞ্জ করলে অথবা নিউ কমেন্ট করলে কি সমস্যা হতে পারে?

যদি অলরেডি আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি ডোমাইন পরিবর্তন করতে গেলে আপনাকে পুনরায় এডসেন্স অ্যাপ্রভাল নিতে হবে কারণ নতুন ডোমেইনে ট্রানস্ফার হলে আপনার সাইটে আর এড শো করবে না সেজন্য আপনাকে আবারও অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল নিতে হবে।


ব্লগে ডোমেইন অ্যাড করলে কি অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল জলদি পাওয়া যায়?

ব্লগে ডোমেইন অ্যাড করলে অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল একটু জলদি পাওয়া যায় এবং গুগলে রেঙ্ক হতে সহজ হয় এবং দেখতে একটু প্রফেশনাল লাগে।


ব্লগে ভিউজ বা ভিজিটর বাড়ানোর জন্য কি প্রতিদিন আর্টিকেল লিখতে হবে?

ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ব্লগ লেখা বাধ্যতামূলক না তবে আপনি যত বেশি আর্টিকেল দেখবেন আপনার রেঙ্ক এর চান্স ততটাই বেড়ে যাবে সেজন্য প্রতিদিনই কমবেশি লেখার চেষ্টা করবেন।


অল্প টাকায় ডোমেইন কোথায় পাবো কিভাবে কিনব?

অল্প টাকায় ডোমেইন হোস্টিং কিনতে হলে আইটি নোট IT Nut Hosting থেকে কিনতে পারেন বাংলাদেশ থেকে বিকাশ অথবা রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন এবং ইন্টারন্যাশনাল ভাবেও পেমেন্ট করতে পারবেন।


ব্লগিং করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস WordPress ভালো নাকি ব্লগস্পট Blogspot ভালো?

ব্লগিং এর জন্য দুইটা প্ল্যাটফর্ম দুইটাই ভালো তবে ওয়ার্ডপ্রেসে কিছু এডভান্স সেটিং এবং কিছু টুলস পাওয়া যায় মানে সফটওয়্যার পাওয়া যায় যেটা দিয়ে ব্লগিং একটু ইজি হয়ে যায়

এবং ওয়ার্ডপ্রেস এর ক্ষেত্রে আপনাকে এসব কিছুই কিনে নিতে হবে ডোমেইন এবং হোস্টিং সেক্ষেত্রে আপনার কিছু টাকা ব্যয় হবে

এবং ব্লগস্পটের সুবিধা হল আপনি চাইলে ফ্রিতে করতে পারবেন অথবা যদি চান তাহলে শুধুমাত্র একটা ডোমেইন কিনে অ্যাড করে ব্লগিং শুরু করতে পারবেন।


মোবাইল থেকে ব্লগিং করা যাবে নাকি কম্পিউটার লাগবে?

অবশ্যই ব্লগিং মোবাইল দিয়েও করা যায় সে ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রবলেম হয় না এবং ব্লগিং করতে হলে কম্পিউটার বাধ্যতামূলক না  তবে কম্পিউটারের স্ক্রিন একটু বড় হয় মোবাইলের স্কিন একটু ছোট এটাই তাছাড়া ব্লগিং আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন


কিভাবে ব্লগিং সাইট ওপেন করব?

ব্লগার সাইট ওপেন করা একেবারে সহজ এই লিংকে ক্লিক করুন সাইটে যান ওখানে আপনার একটা গুগলের জিমেইল আইডি দিয়ে লগইন করতে হবে এবং তারপর তিন জায়গায় আপনাকে যেমন ব্লগে ডিসক্রিপশন লিখতে হবে এবং ব্লগের ইউআরএল দিতে হবে তবে ব্লগে ইউ আর এল অবশ্যই ইংলিশে দিতে হবে বাংলা সাপোর্ট করবে না এবং আপনার পছন্দমত একটা থিম সিলেক্ট করুন এবং নেক্সট করে ফিনিশ করে দিন


আপনার যদি কোন ধরনের প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে প্রশ্ন করতে পারেন..


Web Stories Kivabe Blog Theke Taka Income Korabo

Comments

  1. খুব চমৎকার ভাবে উপস্পাপন করেছেন। আপনার লেখাটা পড়ে খুব ভাল ‍লাগল। আমিও ব্লগ করা শুরু করেছি। আমার ব্লগে আসার অনুরোধ করছি। ইকটু সমালোচনা করে যান প্লিজ। https://centricdatabase.blogspot.com

    ReplyDelete
  2. ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য কমেন্টে এভাবে লিংক দিতে হয়না যাক আপনি হয়তো নতুন সেজন্য আমি আপনার কমেন্ট পাবলিশ করে দিয়েছি তবে লিংক দেওয়ার কিছু সিস্টেম আছে এভাবে ডাইরেক্ট লিংক দেওয়া ঠিক না যাইহোক আপনার ব্লগ ঘুরে দেখলাম তবে আপনার ব্লগ এর থিম চেঞ্জ করেন এবং ব্লগে কিছু পেজ বানানো মানে একটু সাজানো-গোছানো যাতে দেখা যায় আর পারলে একটা ডোমেইন কিনে অ্যাড করে ফেলে ধন্যবাদ

    ReplyDelete
  3. Replies
    1. আপনার কিছু জানার থাকলে কমেন্ট এর মাধ্যমে প্রশ্ন করতে পারেন

      Delete
  4. Sir ami new ami kibabe account kolbo

    ReplyDelete
  5. apone ki Gmail account kholte chan naki apone Blog Kholte chan ?

    ReplyDelete

Post a Comment

Please do not enter any spam link in the comment box. Thanks

Popular posts from this blog

শীর্ষ 6 টি উপায় অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সহজ ও সঠিক উপায় | Top 6 Way Online Theke Taka Income Korar

কিভাবে অনলাইন থেকে সঠিক উপায়ে ও সহজে টাকা ইনকাম করা যায় শীর্ষ 6 টি উপায় Kivabe Taka income Korbo  Kivabe Taka income Korbo  Best Way Online Theke Taka Income Korar  অনলাইন ইনকাম অনলাইন থেকে কিভাবে সহজে টাকা  ইনকাম করা যায় অথবা অনলাইনে কিভাবে টাকা  আয় করা যায় এ ধরনের প্রশ্নগুলো বেশির ভাগ করা হয়ে থাকে ইন্টারনেটে। আপনি যখন এখানে এসেছেন তাহলে অবশ্যই আপনি নতুন এবং আপনি অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় সেটা জানতে চাচ্ছেন। অথবা শিখতে চাচ্ছেন তো আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে আপনাকে সঠিকভাবে গাইড করা। আপনি যদি মনে করে থাকেন যে আপনাকে কোন মোবাইলের অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার লিংক দেওয়া হবে। অথবা ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া হবে কাজ করার জন্য এবং সেটা থেকে আপনি 500 টাকা অথবা 1000 টাকা দৈনিক ইনকাম করবেন বিকাশে পেমেন্ট নেবেন তাহলে আপনি ভুল জায়গায়  চলে এসেছেন।  আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত যে আপনাকে হতাশ করা ছাড়া আমার আর কিছুই করার নেই  তবে যদি আপনি সমস্ত আর্টিকেলটা পড়েন তাহলে আশাকরি আপনার যত ভুল ধারণা আছে সেই সবগুলো আর থাকবে না। যদি মোবাইলের সফটওয়্যার ডাউনলোড করে সফটওয়্যার  দিয়ে অথবা ওয়েব স

ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ | How To Earn by Freelancing in Bangladesh

 ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম এবং ফ্রিল্যান্সিং করার সম্পূর্ণ গাইড লাইন বাংলাতে How To Make Money From  Freelancing  Anf How To Start Freelancing in Bangladesh ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম ফ্রিল্যান্সিং এমন একটা শব্দ যে বর্তমানে সবার মুখে মুখে সোশ্যাল মিডিয়াতে এমন কোন প্ল্যাটফর্ম পাবেন না যেখানে ফ্রিল্যান্সিং থেকে টাকা ইনকাম করার বিষয়ে কথা হয় না। ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় সে বিষয়টা নিয়ে মোটামুটি সবারই মনে কৌতূহল জাগে সবাই চায় যে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে। সবাই শুনে যে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং করে মানুষ হাজার হাজার ডলার মাসে ইনকাম করে এবং সেই ক্ষেত্রে সবারই তো ইচ্ছা হয় যে আমিও ফ্রিল্যান্সিং  করে টাকা পয়সা ইনকাম করি সেজন্য সবাই চায় যে আমিও ফ্রিল্যান্সিং করে হাজার হাজার ডলার মাসে ইনকাম করতে পারব বা করব। প্রথমত এরকম চিন্তা ভাবনায় সবাই করে থাকে আর সেটার কারণ হলো সবাই মনে করে ফ্রিল্যান্সিং মনে হয় একেবারে সোজা শুধু ইন্টারনেটে বসলেই টাকা ইনকাম হবে আসলে মূল বিষয়টা কি ফ্রিল্যান্সিং করে কি সবাই টাকা ইনকাম করতে পারবে যদিও সেটা সম্ভব হয় তাহলে কিভাবে হবে সে জন্য কি ক